কারিগরি শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, যৌথ কারিগরি শিক্ষা কর্মসূচি চালু এবং বাংলাদেশ-চীন যৌথ কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ ও চীন।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) চীনের তিয়ানজিনে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী রেন ইউছুয়েনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বিদ্যমান বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনা সরকারি বৃত্তি সম্প্রসারণ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষার সংযোগ জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়েছে।
এর আগে তিয়ানজিনে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে জাতীয় বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভেট) খাতের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রধান সম্পদ জনগণ। মানবসম্পদ উন্নয়নই জাতীয় অগ্রগতির ভিত্তি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থান, তাত্ত্বিক জ্ঞানের সঙ্গে বাস্তব প্রয়োগ এবং তরুণদের দক্ষতার সঙ্গে উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সংযোগ তৈরিতে কারিগরি শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটালাইজেশন, উন্নত উৎপাদনব্যবস্থা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির কারণে বৈশ্বিক শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা যথেষ্ট নয়; ব্যবহারিক, প্রযুক্তিগত ও ডিজিটাল দক্ষতার সমন্বয় প্রয়োজন।
