



পুঠিয়া প্রতিনিধি,
রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার মঙ্গলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেনের (৪৫) পিতা,মৃত,রফিকুল ইসলাম,বিরুদ্ধে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ মিথিলা খাতুনকে (১১) শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেন পুঠিয়া থানা পুলিশ।
এই ব্যাপারে ২৭-৮-২০২৬ মোছাঃ মিথিলা খাতুনের (১১) পিতা, মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩২) পুঠিয়া থানাতে একটি মামলার দায়ের করেন। পুঠিয়া থানা পুলিশ আসামি মোঃ আক্তার হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করে ২৮-৮-২০২৬ ও জেল হাজতে প্রেরণ করেন,২৯-৮-২০২৬।
মোছাঃ মিথিলা খাতুন (১১),পিতা,মোঃ মনিরুল ইসলাম (৩২) মনিরুল ইসলামের পিতা মোঃ হামেদ আলী। মিথিলার বাবা মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন,আমি একজন অসহায় কৃষক,আমার মেয়ে মঙ্গলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করে।
গত ১২ -৮-২০২৬ দুপুর অনুমানিক আড়াইটার দিকে আমার মেয়ে মোছাঃ মিথিলা খাতুন (১১) বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে বেঞ্চে বসে ছিল। এই সুযোগে ওই বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেন (৪৫) বাংলা ক্লাস নিতে এসে আমার মেয়ের পাশে বসে এবং তার যৌনকামনা চরিতার্থ করার জন্য আমার মেয়ের শরীলে বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌনপীড়ন করে,শ্লীলতাহানি ঘটায়। আমার মেয়ে তাকে নিষেধ করলে বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার প্রবণ দেখায়। আমার মেয়ে প্রলোভনে রাজি না হয়ে,জোর গলায় গায়ে হাত দিতে নিষেধ করে এবং বাড়িতে বলে দেওয়ার কথা বললে,সহকারী শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেন (৪৫) আমার মেয়েকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া সহ মারপিটের হুমকি দেয়। মোঃ আক্তার হোসেন এক বছর পূর্বে থেকে বিভিন্ন সময় আমার মেয়ের সাথে একই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আসছে আমার মেয়ে বাড়িতে এসে বিষয়টি আমাকে অবগত করলে আমি স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম সহ অন্যান্য শিক্ষকের কাছে বিচার দিলে তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন,বাদির অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা হয়েছে,মামলার কার্যক্রম চলমান।
মিজানুর রহমান
পুঠিয়া
৩০ আগস্ট ২০২৬
