পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ মিজানুর রহমান (মিজান) রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ৮ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়েছেন গ্রামবাসী। এতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য সাতজনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দিবাগত দেড়টার দিকে উপজেলার পলাশি গ্রামে তাদের আটক করেন এলাকাবাসী। এরপর তাদের বেধে পিটুনি দেওয়া হয়। সোমবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে,পুঠিয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. শাহীন (৫৫)। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামে তার বাড়ি। অন্য ব্যক্তিরা হলেন, মোঃ শামীম(৩৫), পিতাঃ মোঃ লালু, গ্রাম, চকপলাশী, থানাঃ পুঠিয়া, জেলাঃ রাজশাহী। মোঃ শফিকুল(৪৫), পিতাঃ মৃত সোনা মিয়া,গ্রাম, জিরানী, থানাঃ আশুলিয়া,মোঃ রফিকুল ইসলাম(৪০), পিতাঃ মোঃ জহুরুল ইসলাম,গ্রাম,ইমাদপুর, থানাঃ মিঠাপুকুর, জেলাঃ রংপুর। মোঃ শাহীন(৪৫), পিতাঃ আকরাম, গ্রাম, মাড়িয়া, থানাঃ দূর্গাপুর, জেলাঃ রাজশাহী খারজাহান(৩৫), পিতাঃ মাহি, গ্রাম, নানজেগুড়ি, থানাঃ ধামরাই, জেলাঃ ঢাকা। সেলিম শেখ(৩০), পিতাঃ মোঃ সাত্তার শেখ, সাং বামালের চর, থানাঃ ভূঞাপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল। মামুন(৪২), পিতাঃ একানদানি সরকার, গ্রাম, কুটিবয়রা, থানাঃ ভূঞাপুর, জেলাঃ টাঙ্গাইল। রুপচান(৩০), পিতাঃ মোস্তফা, গ্রাম, সোনিয়াপাড়া, থানাঃ দেওয়ানগঞ্জ, জেলাঃ জামালপুর। এরা সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, একটি ট্রাক ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাত দলটি ডাকাতি করতে গিয়েছিল। ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রামবাসী তাদের ধরে ফেলেন। এরপর তাদের গণপিটুনি দেওয়া হয়। সকালে খবর পেয়ে তারা ৮ জনকে উদ্ধার করেন। ওসি জানান, দলের আটজনের মধ্যে একজন মারা গেছেন। বাকিরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, আটজনের মধ্যে একজনকে তারা মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। অন্য সাতজনের মধ্যে ছয়জন ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। একজন ভর্তি আছেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। তাদের শারীরীক অবস্থা স্থিতিশীল। পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে নিহত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত হবে। এরপর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
