মো: নুরনবী বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি:
ৎবোরহানউদ্দিন রাজনীতি মানেই কি দাপট? নাকি জনসেবার এক নিভৃত সুযোগ? আসন্ন বোরহানউদ্দিন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই প্রশ্নটিই নতুন করে তুলে ধরেছেন মেয়র পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান সাগর। তার ভাষায়, “আমি ক্ষমতার মোহে নয়, বরং বোরহানউদ্দিনের প্রতিটি ঘরের সেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।” বোরহানউদ্দিনের উন্নয়ন আর আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত মরহুম সাইদুর রহমান মিলন মিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে সাগরের এই পথচলা।
তবে তিনি নিজেকে কেবল ‘মেয়রের ছেলে’ পরিচয়ে সীমাবদ্ধ রাখতে নারাজ। তারুণ্যের স্পন্দন আর আধুনিক বোরহানউদ্দিন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে তিনি চষে বেড়াচ্ছেন রাজপথ থেকে অলিগলি। গতানুগতিক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে সাগরের প্রচারণায় ফুটে উঠছে এক স্মার্ট ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। তার সাম্প্রতিক গণসংযোগগুলোতে কিছু মূল বিষয় উঠে এসেছে: পারিবারিক ঐতিহ্য ও দায়বদ্ধতা: বাবার রেখে যাওয়া জনসেবার আদর্শকে পুঁজি করে তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।
তারুণ্যের জয়গান: সাধারণ ভোটারের মতে, সাগর কেবল শিক্ষিত নন, বরং আধুনিক নগর পরিকল্পনায় তার সম্যক ধারণা রয়েছে। ব্যতিক্রমী অঙ্গীকার: তিনি বলেন, “পৌরসভা কোনো শাসকের দপ্তর নয়, এটি হবে জনগণের শেষ ভরসাস্থল। আমি মেয়র হয়ে মানুষের ওপর শাসন নয়, বরং সেবক হয়ে মানুষের সেবা করতে চাই।” সাগর মনে করেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে একটি পৌরসভাকে কেবল ড্রেন আর রাস্তা নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানমুখী পরিবেশ তৈরি এবং স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলাই হবে তার অগ্রাধিকার।
জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া: পৌরসভার ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যে তাকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ মনে করছেন, মিলন মিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে সাগরের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি নির্বাচনে এক বড় চমক হতে পারে। “বাবার হাত ধরে এই শহরকে যেভাবে হাসতে দেখেছি, আমি সেই হাসিটুকু ধরে রাখতে চাই। আমি আপনাদের নেতা হতে আসিনি, এসেছি ঘরের ছেলে হয়ে আপনাদের পাশে থাকতে।” মেহেদী হাসান সাগর।
