
কানাইঘাট প্রতিনিধিঃ-
কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউনিয়নের পশ্চিম ভাড়ারী মাটি গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আশিক উদ্দীনের পাকা বসতবাড়ীতে দূর্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ চুরেরা স্বর্ণালংকার,নগদ টাকা মূল্যবান কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এঘটনায় থানা পুলিশ চুরির সাথে জড়িত থাকার দায়ে কানাইঘাট পৌরসভার বিষ্ণুপুর গ্রামের ফারুক আহমদ পচাঁর পুত্র এলাকার পেশাদার চোর মিজান উদ্দীন (২৪) কে গ্রেফতার করেছে। জানা যায় গত ১৯ নভেম্বর রাতে ভাড়ারী মাটি গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর পুত্র কুয়েত প্রবাসী আশিক উদ্দীনের এক তলা পাকা বসতঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে চুরেরা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র তছনছ করে দুই লক্ষ টাকার মূল্যের স্বর্ণলংকার,নগদ কয়েক হাজার টাকা,৫০ হাজার টাকার মূল্যের স্টীলের পানির ট্যাপ,ইমিটেশন শাড়ি,লুঙ্গি,ঘড়ি, মূল্যবান জিনিসপত্র সহ অনুমান সাড়ে তিন লক্ষ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। বসতঘরের চুরির সময় প্রবাসী আশিক উদ্দীনের স্ত্রী তাহার সন্তানদের কে নিয়া তার পিত্রালয়ে ছিলেন। এ সুযোগে চুরেরা বসতঘরের মালামাল চুরি করে পুলিশের হাতে গ্রেফতারকৃত চুর মিজান উদ্দীন চুরাইকৃত স্বর্ণলংকার, নগদ টাকা রেখে অন্যান্য চুরির জিনিসপত্র ১৯ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে স্থানীয় চাপনগর গ্রামের মখলিছুর রহমানের বসতবাড়ীতে নিয়ে গিয়ে সেখানে চুরাইকৃত মালামাল রাখতে চাইলে বাড়ীর লোকজনের সন্দেহ হলে তারা মিজানের ভিডিও করে মালামাল রেখে তাকে ছেড়ে দিন। ২০ নভেম্বর সকালে প্রবাসী আশিক উদ্দীনের বসতঘরের চুরির ঘটনা ধরা পড়লে লুন্টিত মালামালের অংশ মখলিছুর রহমানের বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারের লোকজন সনাক্ত করেন। এরপর চুরির ঘটনার সাথে জড়িত পেশাদার চুর মিজান উদ্দীনকে ২১ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৫টার দিকে থানার এস আই সোহাগ চৌধুরী উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গ্রেফতার করেন এবং ঐদিন রাত চোর মিজানকে সাথে নিয়ে পুলিশ মখলিছুর রহমানের বাড়ী থেকে লুন্টিত চুরির কিছু মালামাল উদ্ধার করেন। গ্রেফতারকৃত চোর মিজান উদ্দীনকে ২২ নভেম্বর শনিবার আদালতে সোর্পদ করে পুলিশ। চুরির ঘটনায় প্রবাসী আশিক উদ্দীনের ভাই গিয়াস উদ্দীন বাদী হয়ে থানায় চুরির মামলা দায়ের করেছেন। থানার মামলা নং-(১৪)তারিখ- ২২/১১/২৫ইং। জানা গেছে সম্প্রতি আরো একটি চুরির ঘটনায় মিজান উদ্দীনেকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে ছিল। কয়েক দিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে এসে প্রবাসী আশিক উদ্দীনের বাড়ীতে চুরি সংঘটিত করে সে। প্রবাসী পরিবারের লোকজন সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবী দূর্ধষ এ চুরির ঘটনার সাথে পেশাদার চুর মিজান উদ্দীনের সাথে এলাকার আরো কয়েক জন চোর জড়িত রয়েছে। এলাকায় চুরি ও অপরাধ বন্ধে গ্রেফতারকৃত চোর মিজানকে রিমান্ডে এনে তার সাথে আর কারা কারা জড়িত ছিল তাদেরকে চিহৃত করে দ্রæত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন। জানা যায়, সম্প্রতি সময় কানাইঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে । বাড়ী,ঘর, বসতবাড়ী,দোকান পাটে এসব চুরির ঘটনার সাথে উটতি বয়সের ইয়াবা ও মাদক সেবনকারীরা অধিকাংশক্ষেত্রে জড়িত রয়েছে।
