পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ মিজানুর রহমান (মিজান):
রাজশাহীর পুঠিয়ায় শুক্রবার (৬ মার্চ) উপজেলার ঝালমলিয়া “গ্রাম ঝলমলিয়া জামে মসজিদে” জুমার নামাজ শেষে সমবেত মহান ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী, মুসল্লি, ভুক্তভোগীরা সহ গ্রাম প্রধান গন। সন্ত্রাসী কার্যক্রমের দায়ী ৩ অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন মিন্টু, মারুফ ও সৈয়দ আলীর বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে মসজিদে সমবেত মহান। এ সময় সন্ত্রাস বিরোধী বক্তব্য রাখেন মসজিদ কমিটি সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক, সভাপতি শামসুদ্দিন সরকার, পুঠিয়া থানা যুবক দল যুগ্ন আহবায়ক ওয়াহেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক থানা যুবদল সেলিম সরকার।
বক্তারা বলেন যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে লিপ্ত থাকে তারা কোন দলের না, এরা বিএনপি দলের নাম ভাঙ্গিয়ে নানান ধরনের অপকর্মের সাথে লিপ্ত হয়ে দলের মান ক্ষুন্ন করছে এদের কাছে দলের কর্মীরাও নিরাপদ না। কয়েকদিন আগে এদের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছে পৌর যুবদল সভাপতি সাবেক আব্বাস আলী, পৌর যুবদল যুগ্ন আহবায়ক সাবেক হিমেল সহ আরো অনেকেই। এরাই বিএনপির দাবি করে অথচ ধানের শীষের বিরুদ্ধে ভোট করেছে। এদের কাছে অত্যাচার ও জুলুমের শিকার হয়েছে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাজমুল হক, ভাল্লুকগাছির কৃষক ওবায়দুল, মোহাম্মদ সহেল, মোঃ শাহিন, মঞ্জু, মাসুম, শরিফুল সহ আরো অনেকেই।
এদের মধ্যে অনেকেই থানায় অভিযোগ করেছে আবার অনেকেই ভয়ে এখনো অভিযোগ করেনি। বক্তারা আরও বলেন আমাদের একটাই দাবি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সহ প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুতই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের। এ সময় ভুক্তভোগী কৃষক ওবায়দুল বলেন আমার ছোট ছেলেকে মেয়ের মেয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে আটকে রাখা, খবর পেয়ে আমি ও আমার আত্মীয়রা আসলে তাদের কেউ ঘরে বন্দী করে মারধর করে নগদ তিন লক্ষ টাকা নিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে সই নাই। আরেকজন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নাজমুল হক জানান, অভিযুক্ত সাব্বির, মারুফ ও সৈয়দ আলী অতর্কিত ভাবে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর চালায় এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করলে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে সংবাদ সম্মেলন করে, এ ঘটনার পর থেকে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা চরম আতংকের মধ্যে দিন পার করছে।
