
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।। কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) এর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ বিভাগীয় কমিশনারের কাছে দ্বায়ের করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। লিখিত অভিযোগে কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের মধ্য কুমরপুর মৌজার কামাল হোসেন ও কাজীপাড়া গ্রামের সোহেল রানা জানান,জন্ম নিবন্ধন তারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে উপযুক্ত দলিল পত্রের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে অনুমোদন প্রদান করা হয়। কিন্তু যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া গোপনে টাকার বিনিময়ে জন্ম নিবন্ধনের তারিখ সংশোধন সম্পূর্ণ করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) মোঃ হাসান শহিদ সরোয়ার্দী। অন্যদিকে যেসব নাগরিক বৈধ ও উপযুক্ত দলিল পত্রসহ আবেদন করেছেন তারা মাসের পর মাস অযৌক্তিকভাবে বিরম্বনার শিকার হচ্ছেন। কামাল হোসেন লিখিত অভিযোগে জানান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন ধরে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ট্যাক্স ও রাজস্ব আদায়ের টাকা বিভিন্ন ভুয়া ভাউচার ও হিসাবের মাধ্যমে আত্মসাৎ, জন্ম নিবন্ধন এর বয়স সংশোধন সহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, সাধারণ জনগণের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই কর্মস্থলে কর্মরত, অফিসের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নষ্ট করে ব্যক্তির সাথে ক্ষমতার অপব্যবহার । এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত স্মারক নং ০৫,৪৭,৪৯৫২,০০২,৫৫,০২২,২৪-৪৮৫, ৪৮৬ উল্লেখিত বিষয়ের উপর কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না পত্র প্রাপ্তির ৭ কর্ম দিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জবাব দাখিলের জন্য উক্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এর সাথে মুঠো ফোনের যোগাযোগ করলে তিনি জানান, কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। /// Mobile 01718070388
