
পুঠিয়া প্রতিনিধি,
দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত ও অবহেলিত একটি কক্ষ। একসময় যেখানে ছিল নীরবতা আর অযত্নের ছাপ, ভাঙ্গাচুরা দেওয়াল আর পুরনো টিনের ছিদ্র দিয়ে দেখা যেত আকাশ। অন্ধকার এই প্রাচীন কক্ষটি দেখলে মনে হতো ভুতুড়ে কক্ষ। আজ সেখানে ছড়িয়ে পড়েছে জ্ঞানের আলো,শিক্ষার নতুন দিগন্ত।
রাজশাহীর পুঠিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সেই কক্ষটি এখন আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি লাইব্রেরি। পুঠিয়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই লাইব্রেরিতে রয়েছে বিভিন্ন বিষয়ের বই, আকর্ষণীয় বুকশেলফ,আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল কর্নার।
শিক্ষার্থীরা বলছে,এসিল্যান্ড মহোদয়ের দেওয়া লাইব্রেরী খুবই দৃষ্টিনন্দন। নতুন এই লাইব্রেরি তাদের বই পড়ার আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন অবসর সময়ে আড্ডার পরিবর্তে তারা সময় কাটাচ্ছে বইয়ের সঙ্গে। এতে বাড়ছে জ্ঞান অবসর সময় বই পড়ে কাটছে বেশ। এখানে এসে বিভিন্ন বই পড়তে ভালো লাগে এবং নতুন অনেক কিছু শেখা যায়।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ( মিন্টু) বলেন,এমন শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাশ বলেন,একটি অবহেলিত কক্ষকে জ্ঞানের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার এই উদ্যোগ অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।
পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে আধুনিক লাইব্রেরি—পুঠিয়ায় এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সামনে খুলে দিয়েছে জ্ঞানচর্চার নতুন দিগন্ত। দৃষ্টিনন্দন লাইব্রেরিটি তৈরি করায় প্রশংসাই ভাবছেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ।
মিজানুর রহমান
পুঠিয়া প্রতিনিধি
২০ জুলাই ২০২৬
