।
নিজস্ব প্রতিবেদক, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) ।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমপিও সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে টাইম স্কেল ও উচ্চতর স্কেল গ্রহণের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) মো. শাহাজাহান কবীরের বিরুদ্ধে পূর্বের চাকরিস্থলের এমপিও তথ্য গোপন করে পুনরায় এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগকারী বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক এবিএম মহিউদ্দীন দাবি করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রথম এমপিও শিট গোপন করে নতুনভাবে এমপিওভুক্ত হন এবং পরবর্তীতে টাইম স্কেল ও উচ্চতর স্কেল গ্রহণ করেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পূর্ণ না হলেও তিনি টাইম স্কেল গ্রহণ করেছেন, যার ফলে দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি কোষাগার থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা ভোগ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সরকারি অর্থের ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী আরও বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে অতিরিক্ত গ্রহণ করা অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নেওয়া এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
এদিকে অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষক মহল ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন অনেকে।
তবে ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে এ
বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. শাহাজাহান কবীর বকুলকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি এবং কি মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ করেননি।
ঠাকুরগাঁও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহীন আকতার বলেন, অভিযোগটি আমি পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, অভিযোগপত্রটি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপিসহ প্রেরণ করা হয়েছে।
