8th
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
চিকিৎসার ব্যয় বহনে অক্ষম গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজারের ঈদগাঁও মডেল হাসপাতাল। গত এক বছরে হাসপাতালের নিজস্ব তহবিল থেকে অসহায় রোগীদের চিকিৎসাসেবায় ব্যয় করা হয়েছে ১১ লাখ ৮১ হাজার ৭৪৭ টাকা। শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, জরুরি চিকিৎসা নিতে অক্ষম রোগীদের জন্য সুদমুক্ত ঋণ এবং গর্ভবতী নারীদের বিশেষ চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে হাসপাতালের নিজস্ব ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. ইউসুফ আলী।
সভায় ডা. মো. ইউসুফ আলী বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই গরিব, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ঈদগাঁও মডেল হাসপাতাল। চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করতে না পেরে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই হাসপাতালের নিজস্ব তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, গত এক বছরে হাসপাতালের নিজস্ব তহবিল থেকে গরিব ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১১ লাখ ৮১ হাজার ৭৪৭ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও তাৎক্ষণিকভাবে ব্যয় বহনে অক্ষম রোগীদের জন্য ‘করজে হাসনা’ বা সুদমুক্ত ঋণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মাতৃকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় গর্ভবতী নারীদের বিশেষ চিকিৎসাসেবাও দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা বলেন, চিকিৎসার মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা জানান।
সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, মানবিক কার্যক্রম, অসহায় রোগীদের সহায়তা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন, দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আতিকুর রহমান মানিক, দৈনিক কালের সমাজের প্রতিনিধি শেফাইল উদ্দিন, দৈনিক সৈকতের প্রতিনিধি মিজানুর রহমান আযাদ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (এনজেএ) কক্সবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওসমান গনি ইলি, দৈনিক প্রিয় চট্টগ্রামের প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন, ছলিম উল্লাহ, সেলিমসহ স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
