
পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ
মিজানুর রহমান (মিজান)
বিগত কয় মাস আগেইও ছিল পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের হয়রানি,দালালদের দৈরাত্য,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিভিন্ন অপারেশন ব্যবস্থা থাকলেও হতো না অপারেশনের ব্যবস্থা,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির প্রতিটি টয়লেটের ছিল দুরবস্থা,বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মেশিন থাকতেও বেশিরভাগ ছিল নষ্ট,ছিলনা পানির ব্যবস্থা,বন্ধ ছিল জেনেটার বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের যেন শুরু হয় দুরবস্থা,ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ছিল ভাঙ্গা বেড যেন হয়েছিল রোগীদের ব্যাপক দুর্ভোগ,স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ছিল দুর্গন্ধ ময়লা আবর্জনা দিয়ে ভরা,কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সূচনা মনোহারা তিন মাসেই যেন বদলে দিল পুঠিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের সুচিকিৎসা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ও রোগীরা সেবার মান ভালো পাওয়াই রোগী ও স্বজনদের মাঝে ও এলাকাবাসীর মাঝে এমন ডাক্তার পেয়ে বইছে আনন্দের হাওয়া।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডাঃ সূচনা মনোহারা বলেন,আমি তিন মাসের মত হলো এখানে এসেছি,এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেসে এসে দেখি অনিয়ম,পরিচ্ছন্নতার অভাব,আমাদের সরঞ্জাম থাকতেও ঠিকমতো রোগীদের অপারেশন এখানে হয়না,বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা মেশিনগুলো অকেজো হয়ে রয়েছিল,যেমন আল্ট্রাসনো,ইসিজি,আমি এগুলা এসে এখানে ঠিক করি এখন রোগীরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছে,তিনি আরো বলেন,ট্রাসনো রুম রং করা,এএনসি রুম,বেস ফিডিং রুম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরো বিভিন্ন জায়গায় আমি এখানে এসে কাজ করেছি, টিকিট কাউন্টার ছিল দুইটা বর্তমানে তিনটা চালু করেছি,লেবার ওয়ারড্রুম রং করেছি ,প্রতিটি টয়লেট গুলো ছিল দুর্গন্ধযুক্ত যা ব্যবহার করার মত নয় সেগুলো আমি ঠিক করেছি,কেবিন দুটা চালু ছিল,এখন থেকে তিনটা কেবিন চালু করা হয়েছে,জেনাটার বন্ধ ছিল সেটা চালু করা হয়েছে,অপারেশন নিয়মিত এখানে তেমন হত না,এখন নিয়মিত অপারেশন হচ্ছে,নতুন করে পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে ,দালাল বিষয়ে তিনি বলেন,সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্মূল করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে,মেডিকেলের বেড গুলো ছিল ভাঙ্গা সেগুলো ঠিক করে আধুনিকায়ন করা হয়েছে,ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা সুব্যবস্থা করা হয়েছে,ইনশাল্লাহ এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি আধুনিকায়ন করতে যা যা লাগে সব ব্যবস্থা করা হবে ও রোগীরা যেন সুচিকিৎসা পায় সেজন্য আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।
পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ
মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)
