

আলোচিত কন্ঠে বিশেষ প্রতিনিধি : ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে যেমন দেশের বিজ্ঞান চর্চার প্রভূত উন্নয়ন ঘটেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিভিন্ন পদক এবং সম্মান অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নত দেশগুলোর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পেরেছে। ফিজিক্স অলিম্পিয়াড বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞানভিত্তিক আয়োজন, যা ইতোমধ্যে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
দেশের সর্বস্তরের ছাত্রছাত্রীদের ভালোবাসায় ধন্য বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের প্রাথমিক লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি করা, যা যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াড, এশিয়ান ও ইউরোপিয়ান ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করে দেশের জন্য পদক অর্জন করা। ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে ৪টি রৌপ্য পদক, ২২টি ব্রোঞ্জ পদক ও ২৪টি সম্মানসূচক স্বীকৃতি লাভ করেছে।
বিভাগসমূহ:
ক) ক্যাটাগরি-এ: ৫ম–৬ষ্ঠ শ্রেণি
খ) ক্যাটাগরি-বি: ৭ম–৮ম শ্রেণি
গ) ক্যাটাগরি-সি: ৯ম–১০ম শ্রেণি
ঘ) ক্যাটাগরি-ডি: ১১–১২শ শ্রেণি
বাংলাদেশ ফিজিক্স অলিম্পিয়াদের কার্যক্রম:
১. সাধারণত সেপ্টেম্বর/অক্টোবর মাসে নিবন্ধন শুরু হয় (অনলাইনে)।
২. দেশের ১৫টি অঞ্চলে আঞ্চলিক অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
৩. আঞ্চলিক বিজয়ীরা জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে।
৪. জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ীদের নিয়ে জাতীয় ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।
৫. ক্যাম্পের বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডের জন্য দল নির্বাচন করা হয়।
৬. এশিয়ান ফিজিক্স অলিম্পিয়াড (APhO) – মে মাসে অনুষ্ঠিত হয়; বাংলাদেশ থেকে ৮ সদস্যের দল অংশ নেয় (প্রায় ৩১টি দেশ অংশগ্রহণ করে)।
৭. ইউরোপিয়ান ফিজিক্স অলিম্পিয়াড (EuPhO) – জুন মাসে অনুষ্ঠিত হয়; বাংলাদেশ থেকে ৫ সদস্যের দল অংশ নেয় (প্রায় ২৭টি দেশ অংশগ্রহণ করে)।
৮. আন্তর্জাতিক ফিজিক্স অলিম্পিয়াড (IPhO) – জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হয়; বাংলাদেশ থেকে ৫ সদস্যের দল অংশ নেয় (প্রায় ১০০টি দেশ অংশগ্রহণ করে)।
