ঈদগাঁও প্রতিনিধি, কক্সবাজার।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) আওতায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের অধীনে কক্সবাজার জেলার নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলায় ‘ঈদগাঁও ফায়ার স্টেশন’ এবং মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে ‘বিশেষ শ্রেণি’র ফায়ার স্টেশন স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত তথ্যাদি ও প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা থেকে রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এ জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
গত ১ মার্চ-২৬ তারিখে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ফায়ার স্টেশনবিহীন ২৯টি উপজেলায় নতুন ফায়ার স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের প্রস্তাব বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লেঃ কর্নেল এম, এ আজাদ আনোয়া গত ২৫ মার্চ- ২৬ তারিখে এ সংক্রান্ত পত্র জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ‘বিশেষ শ্রেণি’ ফায়ার স্টেশনের ক্ষেত্রে ১.৫০ একর এবং ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণির ফায়ার স্টেশনের জন্য ১.০০ একর জমির প্রয়োজন। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগের নির্দেশিকা অনুসরণ করে সঠিক স্থানে জমি নির্বাচনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত বেঁধে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জমি অবশ্যই প্রধান সড়ক সংলগ্ন, উঁচু, সমতল ও নিষ্ফণ্টক হতে হবে। এছাড়া ধর্মীয় উপাসনালয় (মসজিদ), কবরস্থান, শশ্মান বা মন্দিরের ভূমি এবং জমির ওপর দিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইন থাকা স্থান পরিহার করতে হবে। পাশাপাশি স্টেশনের সম্মুখভাগের প্রস্থ ন্যূনতম ২৪০ ফুট (১০% কমবেশি) হতে হবে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে দ্রুত সম্ভাব্যতা যাচাই করে সম্ভাব্য মৌজার নাম, জমির মূল্য এবং সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত জরুরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
