





*আলমগীর ইসলামাবাদী*
*চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি*
*তারিখ: ৩০ জুলাই ২০২৬, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম*
সম্প্রতি স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালীর *চাম্বল ও শেখেরখীল ইউনিয়নের* অসহায় হাফেজে কুরআন, আলেম ওলামাদের পাশে মানবতার হাত বাড়িয়ে দিলেন চাম্বলের কৃতিসন্তান, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক *দুবাই প্রবাসী আলহাজ্ব মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার*।
আজ বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব চাম্বল বাজারের দক্ষিণ পাশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাম্বল ইউনিয়ন শাখার সভাপতির ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের সামনে তার নিজ অর্থায়নে প্রায় *১ লক্ষ টাকার ঢেউটিন ও এঙ্গেল* বিতরণ করা হয়।
*বিতরণ অনুষ্ঠান*
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাম্বল ইউনিয়ন শাখার সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
1. *মাওলানা ফোজাইল বিন আবদুল জলিল* – সম্মানিত সহকারী পরিচালক, দারুল উলুম আইনুল ইসলাম মাদ্রাসা, চাম্বল, বাঁশখালী।
2. *মাওলানা আবু তৈয়ব* – সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাম্বল ইউনিয়ন শাখা ও চাম্বল বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।
3. *শিল্পী আজগর হোসাইন ফাহিম* – জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী ও “মানবতার ফেরিওয়ালা” খ্যাত সমাজকর্মী। তিনি বন্যাদুর্গত এলাকায় নিয়মিত ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ করে যাচ্ছেন।
4. *মাওলানা এহছানুল হক* – সিনিয়র দায়িত্বশীল, ইসলামী যুব আন্দোলন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ওলামায়ে কেরাম, মাদরাসার শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
*নতুন ঘোষণা*
বিতরণ শেষে আলহাজ্ব মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার আরও একটি মানবিক ঘোষণা দেন। তিনি জানান, তার নিজ অর্থায়নে আগামীকাল *চাম্বল বাজারের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত জামে মসজিদের প্রবেশ পথে মেইন রোড থেকে মসজিদ পর্যন্ত ব্রিকসলিং* করে দেওয়া হবে। এতে করে বর্ষা ও বন্যার সময় মুসল্লিদের কাদা-পানি মাড়িয়ে মসজিদে যাওয়ার কষ্ট লাঘব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
*রেজাউল করিম তালুকদার যা বললেন*
ত্রাণ বিতরণকালে তিনি বলেন, “বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কুরআনের খাদেমরা। অনেক হাফেজ ও আলেমের ঘর-বাড়ি, আসবাবপত্র ও কিতাবাদি পানিতে ভেসে গেছে। আজ তারা অসহায়। তাই সমাজের বিত্তবানদের উচিত এই কঠিন সময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো। এটা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব। আমি প্রবাসে থেকেও আমার এলাকার মানুষের দুঃখ-কষ্টের কথা ভুলি নাই, ভবিষ্যতেও ভুলবো না ইনশাআল্লাহ।”
অনুষ্ঠানের বক্তারা বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় রেজাউল করিম তালুকদারের এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও প্রবাসীদেরকেও অসহায় মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
